• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ দাবি করা এমপি মুনতাকিমের বক্তব্য এক্সপাঞ্জ

সিসি নিউজ ডেস্ক।। নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিমের নিজেকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ দাবি করা বক্তব্য এক্সপাঞ্জ (কার্যবিবরণী থেকে বাদ) করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদে নিজেকে ‘শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ দাবি করে দেওয়া বক্তব্যটি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল বলে স্পিকারকে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিম।

রোববার (২১ জুন) জাতীয় সংসদে একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এ কথা জানান। তিনি জানান, ওই সংসদ সদস্যের এ বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদে দেওয়া হবে।

১৪ জুন সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে নীলফামারী-৪ আসনের সদস্য আবদুল মুনতাকিম বলেছিলেন, তাসর বাবা, দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা–সমালোচনা তৈরি হয়। কারণ, নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী ওই সংসদ সদস্যের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের ১০ বছর পর ১৯৮১ সালে।

আজ সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন। বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, গত ১৪ জুন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মুনতাকিম বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করেছেন। এটা অসত্য। তাঁর পিতা এখনো জীবিত আছেন। তিনি ওই সংসদ সদস্যের এই বক্তব্য সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান।

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার পর ওই সংসদ সদস্য (আবদুল মুনতাকিম) তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। বলেছেন, এটি ভুলক্রমে তার মুখ থেকে এটা বেরিয়ে গেছে, তার বাবা এখনো জীবিত আছেন। ওই সংসদ সদস্য নিজেও নিজের বক্তব্যের জন্য ভুল স্বীকার করেছেন। এটা স্লিপ অব টাং বা অনিচ্ছাকৃত একটি ভুল, যা সংসদের কার্যবিবরণী থেকে এক্সপাঞ্জ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ